ঘোল খাওয়া মানেই নাস্তানাবুদ নয়

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতীয় অঞ্চলে উৎসবের সময় ঘোল রাখার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানানো হয়- বেশি খাওয়া হয়ে গেলে কিংবা তেলজাতীয় ভারী খাবার খাওয়ার পর বেসামাল পেটকে সামাল দিতে পারে ঘরে তৈরি ঘোল।

পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতীয় অঞ্চলে উৎসবের সময় ঘোল রাখার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানানো হয়- বেশি খাওয়া হয়ে গেলে কিংবা তেলজাতীয় ভারী খাবার খাওয়ার পর বেসামাল পেটকে সামাল দিতে পারে ঘরে তৈরি ঘোল।

আর সবসময় যে পান করতে হবে তা নয়, রান্নাতেও ব্যবহার করা যায় এই ‘মথিত দধি’।

স্বাস্থ্যগুণের দিক থেকে বিবেচনা করলেও ঘোল খুব একটা পিছিয়ে নেই। এতে আছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান। আর মজার ব্যাপার হল এটি খাবারে ব্যবহার করলে স্বাদে দেয় ভিন্ন মাত্রা।

রান্নায় ব্যবহার করলে ঘোলের অম্লীয় উপাদানের কারণে খাবার হবে নরম এবং আসবে ভিন্ন স্বাদ ও অনুভূতি।

আবার পানীয় হিসেবে বেছে নিলে তা হজমপ্রণালীর উপর স্বস্তি বইয়ে দেয়। তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পর হজমপ্রণালী থেকে বাড়তি তেল অপসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখে ঘোল। ফলে খাবার সঠিকভাবে হজম হয় এবং শরীর হয় ক্ষতিকর উপাদান মুক্ত।

তাই ক্যালরিতে ভরপুর কার্বোনেইটেড পানীয়ের পরিবর্তে সঙ্গে রাখতে পারেন ঘরে তৈরি এই পুষ্টিকর পানীয়। এতে পানিশূন্যতা দূর হবে, সঙ্গে মিলবে চর্বিবিহীন ক্যালসিয়াম। সবমিলিয়ে কমবে অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা।

Comments

0 comments